রবিবার , ২২ এপ্রিল ২০১৮
শিরোনাম

মুছে যাবেনাতো “মানবতা” নামক শব্দটি ??

 

29257525_946387045524584_2158876667227930624_oআজকের শিশু আগামীর ভবিষ্যৎ।ঘূর্নয়ময়ন এই মানব সভ্যতার ইতিহাসে যারা বিখ্যাত হয়েছেন,পূথিবীকে শাসন করেছেন কিংবা যাদের যুগন্তকারী আবিষ্কার আজকের এই ” GlobalitioN ” তারাও এক সময় শিশু ছিলেন।ঠিক তেমনী ভাবে আজকের শিশু একদিন এই পৃথিবী শাসন করবে।শান্তি প্রতিষ্ঠায় কাজ করবে।তাদের উজ্জল প্রতিভা দিয়ে পূথিবীকে করবে আলোকিত। একজন শিশু ফুটফুটে মায়াবী একটি মুখ, বাবা মায়ের ননীর পুতুল, ভাই বোনের ভালোবাসায় বেড়ে উঠবে।ভোরের মিষ্ট রোদে মায়ের মধুর কন্ঠ শুনে ঘুম ভাংবে তার। চারপাশে তার হরেরক রকমের খেলনা। ঝনঝনে খেলার শব্দে হাসিতে কুটিকুটি । কিন্তু সিরিয়ার ঐ শিশু গুলোর মুখগুলো ফুটফুটে নয় “রক্তমাখা”। ওদের ঘুম ভাঙ্গে মায়ের মধুর কন্ঠে নয়,বোমা কিংবা মেশিন গানের শব্দে। ওদের ঘুম ভাঙ্গে মায়ের মধুর কন্ঠে নয়,বোমা কিংবা মেশিন গানের শব্দে।তাদের চার পাশে খেলনা নয়, বাবা মা,ভাইবোনর বিভৎস লাশ। ওরা রক্ত মাখা গায়ে ফরিয়াদ করে, ” হে আমার রব এই জনপদ থেকে আমাকে বের করে নিয়ে যাও,যার অধিবাসিরা জালেম এবং তোমার পক্ষতেকে আমাদের কোন অভিভাবক ও সাহায্যকারী তৈরীকরে দাও “।বাবা আমি স্কুলে যাবো,ভাইয়া তোমার স্কুলে আমায় নিয়ে যাবে? সবে মাত্র হাতে খড়ি শিখা শিশুটার আবদার এটায় স্বাভাবিক।কিন্তু রোহিঙ্গা শিশুগুলো,চোখের সামনে জলন্ত আগুনে পুড়ছে বাবা মায়ের জীবন্ত দেহ,ভাইয়ের কাছে আবদার ধরছে স্কুলে যাওয়া নয় বরং মহামারি থেকে পালাবার চেষ্টা বংলাদেশে পাড়ি জমাবার।এসব শিশু বড় হয়ে বিকৃত মসতিস্কের অধিকারী হয়ে নির্বিকারে মানুষ হত্যা করলে তার দায় কে নেবে? পূথীবি অশান্তির কারন হয়ে দাড়াবে নাতো? প্রতিটা শিশুর বেচে থাকার অধিকার নিয়ে জন্মে হোক সে খ্রিষ্টান,বৌদ্ধ,হিন্দু কিংবা মোসলমান। মুসলিম হাওয়ার কারনে সিরিয়ার শিশু হত্যার ব্যাপারে মানবধিকার সংগঠন গুলো মানবতা হারাচ্ছে। অথছো মানব শিশু গুলো যখন জন্ম নেয় সে কোন ধর্মের হয়ে জন্ম নেয়না বরং মানুষ হয়ে জন্ম নেয়।তাহলে তাকে ধর্মের দায় নিতে হবে কেন? মানুষ হয়ে মানুষের নির্মমতায় শিকার হতে হয় কেন? ছিন্ন মুল শিশুরা আজ অধিকার থেকে বন্চিত।পূথিবীটা তাদের অনুকুলে নয়।পূথিবীর শক্তিমান দেশ গুলো তাদের শক্তি প্রদর্শনে ব্যাস্ত তাদের সেই ব্যস্ততার নির্মম বলি হাজারও শিশু।একমাত্র প্রানী হিসাবে মানুষ সভ্য হলেও সংঘাতময়ী।তাই পূথিবীর শাস্ত্র মতে সভ্যথেকে সভ্যতর হলেও মানুষগুলো হয়ে উঠছে হিংস্র হায়নার মতো।তাই মাঝে মাঝে আমার উৎকন্ঠ হই যাবে নাতো মানবতা নামক এই শব্দটি??/

BIGTheme.net • Free Website Templates - Downlaod Full Themes