সোমবার , ২৮ মে ২০১৮
শিরোনাম

খোকনের রায়ের মাধ্যমে ট্রাইব্যুনালের ১২ তম রায় আজ

khokon razakar৭১বাংলা : মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় পলাতক রাজাকার খোকনের রায় আজ বৃহস্পতিবার ঘোষণা করবে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

এ রায়ের মধ্য দিয়ে ট্রাইব্যুনাল থেকে ১২টি রায় আসবে।

বুধবার ট্রাইব্যুনাল-১ রায়ের জন্য দিন ধার্য করেন।

গত ১৭ এপ্রিল বৃহস্পতিবার চেয়ারম্যান বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিমের নেতৃত্বে গঠিত তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ উভয় পক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে যে কোন রায় ঘোষণা করা হবে মর্মে অপেক্ষমান রেখে আদেশ দেন।

গত ১৩ এপ্রিল থেকে খোকনের বিরুদ্ধে প্রসিকিউশন তাদের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেন। এরপর তিন দিন খোকনের পক্ষে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেন রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী আব্দুস শুক্কুর খান।

২০১৩ সালের ২১ নভেম্বর থেকে গত ২ এপ্রিল পর্যন্ত তদন্ত কর্মকর্তা সত্যরঞ্জন দাশসহ খোকন রাজাকারের বিরুদ্ধে মোট ২৪ জন সাক্ষী জবানবন্দি পেশ করেছেন।

পলাতক এই আসামির পক্ষে কোনো সাফাই সাক্ষী জবানবন্দি পেশ করেনি। কারণ আসামিপক্ষের আইনজীবী আব্দুস শুকুর খান  মোট ৩০ জন সাক্ষীর তালিকা ট্রাইব্যুনালে জমা দিয়েছিলেন। কিন্তু কোনো সাক্ষী আদালতে আনেতে না পারায় তিনি তার আবেদন প্রত্যাহার করেছেন বলে জানিয়েছেন।

২০১৩ সালের ১৯ নভেম্বর খোকন রাজাকারের বিরুদ্ধে সূচনা বক্তব্য উপস্থাপনের মধ্য দিয়ে তার মামলায় সাক্ষী গ্রহণ শুরু হয়।

এর আগে  ২০১৩ সালের ৯ অক্টোবর মানবতাবিরোধী অপরাধে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ (চার্জ) গঠন করা হয়।  খোকন রাজাকারের বিরুদ্ধে ১৬ জন নারী ও শিশুসহ ৫০ জনকে হত্যা, তিনজনকে পুড়িয়ে হত্যা, দুইজনকে ধর্ষণ, ৯ জনকে ধর্মান্তরিত করা, দুটি মন্দিরসহ ১০টি গ্রামের বাড়িঘরে লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ, সাতজন গ্রামবাসীকে সপরিবারে দেশান্তরে বাধ্য করা ও ২৫ জনকে নির্যাতনসহ সুনির্দিষ্ট ১১টি অভিযোগ আনা হয়েছে।

পালাতক খোকন রাজাকরকে ট্রাইব্যুনালে হাজির হতে ২০১৩ সালের ৩০ জুলাই দুটি জাতীয় পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। পরে তাকে হাজির করতে ট্রাইব্যুনালের নির্দেশে জাতীয় দৈনিক জনকণ্ঠ ও ডেইলি স্টারে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ পায়।

কিন্তু তিনি হাজির না হওয়ায়  ওই বছরের ১৪ আগস্ট তার অনুপস্থিতিতেই  খোকন রাজাকারের বিচার  শুরু করেন ট্রাইব্যুনাল। সঙ্গে সঙ্গে একই দিনে ১৪ আগস্ট খোকন রাজাকারের পক্ষে রাষ্ট্রীয় খরচে আইনজীবী হিসেবে নিয়োগ দেন আব্দুস শুকুর খানকে।

২০১৩ সালের ২৩ জুন আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দখিল করার পরে  ১৮ জুলাই আনুষ্ঠানিক অভিযোগ (ফরমাল চার্জ) আমলে নিয়ে তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে।

২০১২ সালের ১৬ এপ্রিল শুরু হয়ে ২৮ মে শেষ করে। পরে ২৯ মে ১৩টি   প্রসিকিউশনের কাছে দাখিল করে।

গত বছরের ৯ অক্টোবর ১১টি মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত করে খোকনের বিচার শুরু করেন ট্রাইব্যুনাল। বিচার শুরু থেকেই পলাতক রয়েছেন আসামি।

 

 

এমআর

BIGTheme.net • Free Website Templates - Downlaod Full Themes