রবিবার , ২৭ মে ২০১৮
শিরোনাম

৫১১ উপজেলায় নতুন নিবন্ধিত হয়েছে ৪৫ লাখ ভোটার

Election_Commission৭১বাংলা : চলমান দেশব্যাপী ভোটার তালিকা হালনাগাদ কার্যক্রমে দেশের ৫১৪টি উপজেলা/থানার মধ্যে ৫১১টিতে নির্বাচন কমিশন এ পর্যন্ত ৪৫ লাখেরও বেশি নতুন ভোটারের নাম নিবন্ধন করেছে।

মাত্র তিনটি উপজেলা/থানা থেকে এখন পর্যন্ত তথ্য পাওয়া না গেলেও নির্বাচন কমিশনের এ ভোটার তালিকা হালনাগাদ কর্মসূচি এখন প্রায় শেষ পর্যায়ে।

নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের তথ্যানুযায়ী দেশে বর্তমানে ভোটারের সংখ্যা নয় কোটি ২০ লাখ নয় হাজার ১৯০।

এ বছরের ১৫ মে থেকে শুরু হওয়া তিন পর্যায়ের এ হালনাগাদ কর্মসূচিতে মাঠ পর্যায় থেকে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে প্রাপ্ত খসড়া তথ্যমতে ৫১১টি উপজেলা ও থানায় ৪৫ লাখ ৬৬,৮৭৯ জন নতুন ভোটারের নাম নিবন্ধন করা হয়েছে।

এই সংখ্যা দেশব্যাপী নির্বাচন কমিশনের ৪৬ লাখ নতুন ভোটার খুঁজে বের করার সংখ্যার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

ভোটার তালিকা হালনাগাদের খসড়া তালিকা অনুযায়ী পুরুষ ভোটারের সংখ্যা নারী ভোটারের চেয়ে উল্লেখযোগ্যসংখক বেশি। ২৫ লাখ ৫৮ হাজার ১৪৪ জন পুরুষ ভোটারের বিপরীতে মাত্র ২০ লাখ আট হাজার ৭৩৫ জন নারী ভোটার এ পর্যন্ত নিবন্ধিত হয়েছে।

অন্যদিকে মৃত ভোটারদের নাম তালিকা থেকে বাদ দেয়ার কর্মসূচিতে এ পর্যন্ত ৪৮৬টি উপজেলা/থানা থেকে চার লাখ ৩৩ হাজার ৯৬২ জনের নাম বাদ দেয়া হয়েছে। অবশিষ্ট ২৫টি উপজেলা/থানায় এখনো এ কার্যক্রম চলছে।

এই ২৫টি থানা/উপজেলা হচ্ছে কুমিল্লা জেলার আদর্শ সদর ও সদর দক্ষিণ উপজেলা, টংগী ও গাজিপুর সদর উপজেলা, চট্টগ্রাম জেলার বাশখালি উপজেলা, চাদপুরের মতলব উত্তর ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা, জামালপুর সদর উপজেলা, টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলা, ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা, ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকার তেজগাঁও, ধানমন্ডি, মতিঝিল, মিরপুর ও লালবাগ, নারায়ণগঞ্জের বন্দর ও সদর উপজেলা, বরিশাল সদর ও মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা, ময়মনসিংহ সদর ও মুক্তাগাছা উপজেলা, সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া ও শাহজাদপুর উপজেলা এবং হবিগঞ্জের বানিয়াচং উপজেলা।

নির্বাচন কমিশন যে তিনটি উপজেলায় এখনো যোগ্য ভোটারদের নাম অন্তর্ভুক্তির কাজ শেষ করতে পারেনি তা হচ্ছে চট্টগ্রামের কোতোয়ালি ও পাহাড়তলি এবং নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলা।

নির্বাচন কমিশনার মোহাম্মদ আবু হাফিজ জানান, নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই ভোটার তালিকা হালনাগাদের কার্যক্রম শেষ হবে। তিনি বলেন, ‘‘হালনাগাদকৃত ভোটার তালিকা সম্পর্কে অভিযোগ গ্রহণের জন্য জানুয়ারির ২ তারিখ খসড়া তালিকা প্রকাশ করা হবে এবং পরবর্তী সময়ে ৩১ জানুয়ারি চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হবে।’’

প্রসঙ্গত, ২০১২ সালের পর থেকে শতকরা পাঁচ ভাগ হারে নতুন ভোটার বেড়েছে। এ হিসেবে  নির্বাচন কমিশন এ বছরের ১৫ মে থেকে নির্বাচন কমিশন ভোটার তালিকা হালনাগাদ কর্মসূচি চালু করে।

বাংলাদেশি নাগরিক যাদের বয়স ২০১৫ সালের ১ জানুয়ারি ১৮ বছর হবে এবং যারা যোগ্য কিন্তু তালিকা থেকে নাম বাদ পড়েছে তারা এই নতুন তালিকায় নিজেদেরকে অন্তর্ভুক্ত করতে পারবে।

এই হাল নাগাদের সময় ভোটার তালিকা প্রস্তুতকারীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে সম্ভাব্য নতুন ভোটারদের ব্যাপারে তথ্য সংগ্রহ করবে। এছাড়া সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদ ও ওয়ার্ডের ভোটার রেজিস্ট্রেশন কার্যালয়ে আঙ্গুলের ছাপ নেয়া হবে।

ফিঙ্গার প্রিন্ট আইডেন্টিফিকেশন সিস্টেমের (এএফআইএস) মাধ্যমে ভুয়া ভোটারদের নাম তালিকা থেকে বাদ দেয়া হবে।

২০০৯ সালের ভোটার তালিকা আইনের ১১ ধারা অনুযায়ী নির্বাচন কমিশন প্রতি বছর জানুয়ারির ২ থেকে ৩১ তারিখের মধ্যে ভোটার তালিকা হালনাগাদ করবে। সূত্র: ইউএনবি

 

 

এমআর

BIGTheme.net • Free Website Templates - Downlaod Full Themes