সোমবার , ২৮ মে ২০১৮
শিরোনাম

দেশের প্রথম ‘পতাকাবাহী বর’

Min_Borকুমিল্লা: মহা ধুমধামে বিয়ের কাজ শেষ হয়েছে রেলমন্ত্রী মুজিবুল হকের। চান্দিনা উপজেলার গল্লাই ইউনিয়নের মিরাখলা গ্রামের মুন্সিবাড়িতে সম্পন্ন হয় বিয়ে। পাঁচ লাখ এক টাকা দেনমোহরে হনুফা আক্তার রিক্তাকে জীবনসঙ্গী হিসেবে গ্রহণ করলেন ৬৮ বছরের মুজিবুল।  বিয়ের কাজ সম্পন্ন করেন গল্লাই ইউনিয়নের মুসলিম নিকাহ রেজিস্ট্রার মাওলানা  মো. সিদ্দিকুর রহমান।

শুক্রবার দুপুরে বিয়েবাড়িতে পৌঁছেন দেশের প্রথম পতাকাবাহী বর মুজিবুল হক মুজিব। সঙ্গে ছিলেন নৌমন্ত্রী শাজাহান খানসহ ছয়জন মন্ত্রী এবং অর্ধশতাধিক এমপি।  মন্ত্রীর বিয়ের আয়োজন নিয়ে বর-কনের স্বজন ও কুমিল্লা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা উৎফুল্ল।

বেলা ১১টার দিকে সাত শতাধিক বরযাত্রী নিয়ে মন্ত্রী তার মিন্টু রোডের সরকারি বাসা থেকে কুমিল্লার উদ্দেশে যাত্রা করেন। দাউদকান্দির শহীদনগর জামে মসজিদে জুমার নামাজ আদায় করেন তারা। এরপর তারা বিয়েবাড়িতে পৌঁছান। তাদের স্বাগত জানাতে মোড়ে মোড়ে তৈরি করা হয় সুদৃশ্য  তোরণ।

মন্ত্রী জামাই পেয়ে মহা খুশি কনের আত্মীয়রা। তারা ফুল দিয়ে বরণ করে নেন মন্ত্রী জামাইকে। এরপর পাঁচ লাখ এক টাকা দেনমোহরে বিয়ে সম্পন্ন হয় মুজিবুল-হনুফার বিয়ে।

অতিথিদের আপ্যায়ন করা হয়েছে খাসির কাচ্চি, মুরগির রোস্ট, জালি কাবাব, বোরহানি, কোমল পানীয় ও জর্দা। বরকে দেয়া হয়েছে ১৬  কেজি ওজনের আস্ত খাসির রোস্ট। স্থানীয়ভাবে এর নাম ‘দরুজ’। এলাকার নামকরা বাবুর্চি কুমিল্লা ক্লাবের মিল্টন রোজারিও তৈরি করেছেন এসব খাবার।

এদিকে বিয়েবাড়িতে ভিআইপিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সার্বক্ষণিক কাজ করছে বিশেষ ডিউটি পুলিশ, পুলিশের মোবাইল টিম, ডিএসবি, ট্রাফিক পুলিশ, গোয়েন্দা পুলিশ। সাদা পোশাকেও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছেন।

মন্ত্রীর বিয়ে বলে কথা। এলাহীকাণ্ড না হলেও অতিথিদের জন্য বিশাল আয়োজন বললে কোনো অংশেই অত্যুক্তি হবে না। আয়োজন চলে কয়েকদিন ধরে। শুধু বরযাত্রীদের আপ্যায়নের জন্যই নিয়োগ করা হয় ৮০ জন স্বেচ্ছাসেবক। সবাই কন্যার নিটক আত্মীয়।

 

বরপক্ষের ৭০০ এবং কনেপক্ষের প্রায় ১৫ শ’ অতিথিকে আপ্যায়নের ব্যবস্থা করার কথা থাকলেও সে সংখ্যা পাঁচ হাজারের কম হবে না।

 

দুপুরের খাবারের তালিকায় ছিল খাসির কাচ্চি, মুরগীর রোস্ট, কোমল পানীয়, মিস্টান্ন, জর্দা এবং বোরহানী।

 

আর জামাই মুজিবুল হকের জন্য করা হয় বিশেষ খাবার। অন্য আয়োজনের পাশাপাশি করা হয় ১৬ কেজি ওজনের আস্ত খাসির রোস্ট।

 

বিশাল আকারের ডিসে জামাইয়ের খাবার পরিবেশন করা হয় বেশ আয়োজন করে। চারপাশে ১০টি ইলিশ মাছ, ১০টি আস্ত মুরগীর রোস্ট এবং মাঝে ১৬ কেজি ওজনের খাসির রোস্ট। নানান পদের খাবার ও মিষ্টিও রয়েছে সেখানে।

BIGTheme.net • Free Website Templates - Downlaod Full Themes