Friday , 7 August 2020
শিরোনাম
আর কত চাই খোদা? একটু মুক্তি চাই!

আর কত চাই খোদা? একটু মুক্তি চাই!

Untitled-1
এসব মানুষরূপি হায়েনা থেকে রক্ষা কর জাতিকে। শরীরের লোমকূপগুলো অজস্র যন্ত্রনায় ছটফট করতে থাকে। এসব দেখে রক্তগুলো টগবগ করে ফুটতে চায়। আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ আর নাম না জানা কত লীগের হাতে বন্দী হাজারো মানুষ। অপরাধী কে সেটা বিবেচ্য নয়। তবে অপরাধ গুলো যখন বার বার একই দিক থেকে আসে তখন সেটা অবশ্যই বিবেচনার বিষয়।আমাদের গভীরে অজস্র নর্দমার কীটের জন্ম হয়েছে। যাদের মনুষ্যত্ব নেই, বিবেক নেই। আছে পশুত্ব আর জানোয়ারের স্বভাব।

কী দোষ ছিল মেয়েটির? আর তার  স্নেহময়ী মা’রই বা কী অপরাধ? ধর্ষন! আবার শেষ পর্যন্ত নেড়া করেও দেয়া হল! আশ্চর্য সমাজ! আশ্চর্য তার স্ত্রী আর মহিলা কাউন্সিলর। মেয়ে হয়েও মেয়েদের সাথে এমন ব্যবহার পশুরাও করেনা। মানুষ নামের কলংক এগুলো।

কি হবে এখন মেয়েটির? একটা স্বপ্ন নিয়ে বড় হয়েছিল। এসএসসি পাশ করা কি তার জন্য বড্ড অপরাধ ছিল? তাই হতে হল ধর্ষিতা। তারপর আবার নেড়া। স্বপ্নগুলো যে আজ অঝোর ধারায় অশ্রু ফেলছে। একটা সুন্দর জীবনের মৃত্যু ঘটলো কি? মাথা তুলে দাড়াতে পারবে কি আপুটি?  গরীব হওয়া কি তার জন্য পাপ ছিল? ধিক্কার মনুষ্যত্বহীন এই সমাজের নেকড়েগুলোর।

একটা সুন্দর ভবিষ্যতের মৃত্যু ঘটাল যারা তাদের আর কি-ই বা হবে? ওরা যে দেশের নায়ক। ওরাইতো দেশ স্বাধীন করেছে। যা ইচ্ছা করতে পারে। ওদের কোন  অপরাধ হয়না। ওরা যিশুর পুত্র। ওরা যিশুর প্রিয় পাত্র। হাজারো ফিলিস্তিনি মারলে যেমন ইয়াহুদিদের কোন অপরাধ হয়না। ওদের কোন অত্যাচার ধর্তব্য নয় । ওরা স্বাধীনতার ঘোষক। ওরা যে গ্রামের মোড়ল। আমাদের আর কিইবা করার আছে? অশ্রু ফেলি নীরবে, নিভৃতে। কারণ খোদার প্রিয় এ অশ্রু যে ওদের চোখের বিষ।

হ্যাঁ! হয়তো তাদের সাজা হবে! সর্বোচ্য যাবজ্জীবন কারাদন্ড? আর কিছু টাকা? তারপর? সরকারি দলের ক্যাডার আর দলের বিচারকদের মহত্বে ছাড়া পাবে! কিন্তু মেয়েটির সারা জীবনের কান্না কে দেখবে? তার অশ্রুগুলো মুছে দেবে কে? কোথায় লুকাবে তার ব্যাথা? সমাজ কি তাকে ধর্ষিতা বলে গালি দেবেনা? যদি ধর্ষনের শাস্তি হিসেবে কয়েকটা মৃত্যুদন্ড দেয়া যেত, তাহলে আর ধর্ষনের সাহস কেউ পেত না। কিন্তু হায়!  এখানে আইনের ব্যর্থতা লুকাবার নয়। হায়! যদি কুরআনের আইন মতে প্রকাশ্যে পাথর মেরে তার মৃত্যু দেয়া যেত! তাহলে কি ন্যায়বিচার হত না? হ্যাঁ অবশ্যই হত। আর কেউ হয়তো সাহস করতো না এমন ঘৃন্য কাজের?

মনে আছে প্রিয় বোন সুমাইয়ার কথা? 


হ্যা! ওরাইতো! প্রিয় বোন সুমাইয়াকে কুপিয়ে কুপিয়ে মেরেছিল। কি অপরাধ ছিল তার? সত্য কথা বলা, হিজাব করা, আর নিয়মিত কুরআন পড়াই কি তার অপরাধ ছিল? বাবাকে না পেয়ে তাকেই জীবন দিতে হয়েছিল। আসলে সুমাইয়া মরে নি। সে জীবন দিয়ে দেখিয়েছে সমাজ কতটা ঘৃণিত। সে জীবন দিয়ে প্রমান করেছে, আদর্শের কখনো মৃত্যু হয়না।
এসব সুমাইয়া, আফসানা, মিতুদের আত্মা কখোনো ছেড়ে দেবেনা। হাজারো মায়ের অশ্রু কখনো বৃথা যাবে না। সত্যি আল্লাহ মজলুমের দোয়া কবুল করে থাকেন।।

আমি একজন মজলুম হয়ে হে আল্লাহ তোমার দরবারে হাত তুলেছি। আমরা মুক্তি চাই। আমরা দু’চোখ ভরে অশ্রু ফেলতে চাই। ভালবাসতে চাই। নিরাপদ আশ্রয় চাই। একটু শান্তির নিঃশ্বাস ফেলতে চাই।