Friday , 7 August 2020
শিরোনাম
আইপিএল নিলামে মুশফিক-মাহমুদুল্লাহ

আইপিএল নিলামে মুশফিক-মাহমুদুল্লাহ

২০১৯ সালের ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে (আইপিএল) প্রাথমিকভাবে বিশ্বব্যাপী ১০০৩ জন ক্রিকেটারের নাম নিলামের জন্য রাখা হয়েছিল। তবে আটটি ফ্র্যাঞ্চাইজির রিভিউ শেষে এই সংখ্যাটি নেমে এসেছে ৩৪৬-এ। যেখানে বাংলাদেশের আছেন শুধু দুই ক্রিকেটার মুশফিকুর রহিম ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ।

আগের তালিকায় বাংলাদেশ থেকে ১০ ক্রিকেটারের নাম নিবন্ধন করা হয়েছিল। সাকিব আল হাসানকে আগেই তার দল সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদ রেখে দিয়েছিল। তবে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স ছেড়ে দিয়েছে মোস্তাফিজুর রহমানকে। কিন্তু ২০১৯ বিশ্বকাপকে সামনে রেখে এবারের নিলামে বিসিবি কাটার মাস্টারকে দেয়নি।

মুশফিক ও মাহমুদউল্লাহকে নিলামে ৫০ লাখ বেজ প্রাইজে রাখা হয়েছে। যেখানে মুশফিক উইকেটরক্ষক ক্যাটাগরি ও মাহমুদউল্লাহ অলরাউন্ডার ক্যাটাগরিতে আছেন। আগামী ১৮ ডিসেম্বর জয়পুরে নিলাম অনুষ্ঠিত হবে।

বাংলাদেশ থেকে শুরুতে এই তালিকায় যাদের নাম শোনা গিয়েছিলো এরা হলেন- তামিম ইকবাল, মুশফিকুর রহিম, মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ, সৌম্য সরকার, সাব্বির রহমান, ইমরুল কায়েস, আবু হায়দার রনি, লিটন কুমার দাস, ও নাঈম হাসান। তবে মাত্র দুজনই রইলেন সংক্ষিপ্ত তালিকায়।

এ তালিকায় সর্বোচ্চ ২২৬ ক্রিকেটার রয়েছেন আয়োজক দেশ ভারতের। পাশাপাশি দক্ষিণ আফ্রিকার ২৬, অস্ট্রেলিয়ার ২৩, উইন্ডিজ ও ইংল্যান্ডের ১৮, নিউজিল্যান্ডের ১৩, আফগানিস্তানের ৮, শ্রীলংকার ৭ এবং জিম্বাবুয়ের দুজন জায়গা পেয়েছেন। এ ছাড়া আয়ারল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস ও যুক্তরাষ্ট্রের একজন করে ক্রিকেটার নিলামের জন্য মনোনীত হয়েছেন।

আইপিএল ২০১৯-এর পর্দা উঠবে আগামী ২৯ মার্চ। বিশ্বকাপের ঠিক আগে ১৯ মে পর্দা নামবে মাল্টি মিলিয়ন ডলারের এ টুর্নামেন্টের। তবে খেলোয়াড়দের বিশ্রামের কথা মাথায় রেখে বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় ফ্র্যাঞ্চাইজিভিত্তিক ঘরোয়া টুর্নামেন্টটির সূচি খানিকটা এগিয়ে আনা হতে পারে।

উল্লেখ্য, ২০০৮ সাল থেকে শুরু হওয়া প্রথম আসরেই বাংলাদেশ থেকে অংশ নিয়েছিলেন আব্দুর রাজ্জাক। বাম-হাতি এই স্পিনার সেসময় র‌য়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর হয়ে মাঠে নেমেছিলেন। পরের আসরেই কলকাতা নাইট রাইডার্সের হয়ে মাঠ মাতান বাংলাদেশের ওয়ানডে অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা। সেবারই মুম্বাই ইন্ডিয়ানসের হয়ে অংশ নেন মোহাম্মদ আশরাফুল।

২০১১ সাল থেকে শুরু হয় সাকিব আল হাসান অধ্যায়। কলকাতার হয়ে টানা সাত আসরে অংশ নিয়ে দুইবার শিরোপা জিতে নেন বিশ্ব সেরা এই অলরাউন্ডার। গেল আসরে খেলেছেন সানরাইর্জাস হায়দরাবাদের হয়ে। আর তাই দ্বাদশ আসরেও সাকিবকে দলে রেখে দিয়েছে ফ্র্যাঞ্চাইজিটি। ২০১২ সালে পুনে ওয়ারিয়র্সের স্কোয়াডে জায়গা পেলেও মাঠে নামা হয়নি তামিম ইকবালের।

২০১৬ সালে হায়দারাবাদের হয়েই খেলেছিলেন মুস্তাফিজুর রহমান। প্রথমবারের মতো আইপিএল শিরোপা জয়ের পাশাপাশি দারুণ বল করে জিতে নিয়েছিলেন ‘ইমার্জিন প্লেয়ার অব দ্যা ইয়ার’ এর পুরস্কার। তবে ইনজুরির কারণে পরের আসরে নিজেকে তেমন মেলে ধরতে পারেনি তিনি। সবশেষ ২০১৮ সালে মুম্বাই ইন্ডিয়ানসের হয়ে অংশ নেন কাটার মাস্টার খ্যাত এই তারকা।